The One-page Business Plan

“Plans are only good intentions unless they immediately degenerate into hard work.”

—PETER F. DRUCKER

 

মূল কথায় যাওয়ার আগে Nisha Blackwell এর গল্পটা বলে নেই। গুগল তাকে বলে সেলফ-টট সিইও।

জীবনের এক পর্যায়ে সে একটা নার্সিং স্কুলে ভর্তি হয়।স্কুলের বিল পে করার জন্য সে একটা কফি সপে কাজ করা শুরু করে।হঠাত খেয়াল করলো কিছুদিন পরে তার এক বন্ধুর মেয়ের জন্মদিন।কিন্তু গিফট কেনার মত টাকা তার কাছে নাই।চিন্তায় পরে গেলো!  তার সম্পদ হিসেবে ছিলো একটা সেলাই মেশিন। সে জানতো না সেটা কিভাবে চালাতে হয়। ইউটিউব থেকে শেখা শুরু করলো। তার বন্ধুর মেয়ের জন্য একটা মাথার ব্যান বানালো। সেটা দেখে সেই বার্থডে পার্টিতে অনেকেই বলা শুরু করলো, এটা কে গিফট করেছে আরো অনেক কিছু, সেখানেই সে পেয়ে যায় তার ৬ জন কাস্টমার। সে নিজেকে একজন উদ্যোগতা হিসেবে ভাবা শুরু করলো। বানানো শুরু করলো বো টাই। এভাবেই জন্ম নেয় তার কম্পানি knotzland.

 

প্লান। প্লান করতে কোনো সমস্যা নাই, কিন্তু আপনি শুধু প্লান করেই সারাজীবন শেষ করে ফেলতে পারেন, সেটার উপর কোনো কাজ না করেই।

 

কিভাবে প্লান করবেন সেই কথায় আসি।

প্রথমত মার্কেটে চলবে এ রকম একটা প্রডাক্ট আইডিয়া খুজে বের করেন। আইডিয়াটা একেবারেই নতুন হতে হবে তেমন কোনো কথা নাই, খেয়াল রাখবেন আপনার প্রডাক্টটা যাতে কোনো একটা সমস্যার সমাধান দিতে পারে বা প্রডাক্টটা মানুষের প্রয়োজনীয়।

 

Don’t think innovation; think usefulness.

 

আপনি কিভাবে বুঝবেন আপনার আইডিয়া বা প্রডাক্ট বাজারে চলবে কিনা?

এটা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব না। তবে নিচের বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে।

 

১। আসলেই কি আপনার প্রডাক্টটা কোনো সমস্যার সমাধান করছে বা অন্যরা এই ধরনের প্রডাক্ট কিনে কিনা।

 

২। আপনার টার্গেট মার্কেট থাকে কিছু মানুষ বেছে নিয়ে তাদের সাথে কথা বলেন। ধরেন আপনি অনলাইনে কসমেটিক্স বিক্রি করতে চান। টার্গেট পিপল, মেয়ে।আপনার পরিচিত কিছু মেয়ের সাথে কথা বলেন, জেনে নিন, তারা অনলাইনে এই ধরনের প্রডাক্ট কেনে কিনা।

২।  আপনার  প্রডাক্টটা অন্যরা যেভাবে গুগলে সার্চ করতে পারে সেভাবে সার্চ করেন। দেখেন যে কম্পানিগুলো এটা নিয়ে কাজ করছে  তাদের  প্রডাক্ট কেমন সেল হচ্ছে, তাদের ফেসবুক পেজের কমেন্টগুলো পড়েন, দেখেন মানুষের ইন্টারেস্ট কেমন। অথবা আপনি যেই সমস্যার সমাধান দিচ্ছেন, সেটা সমাধানের জন্য যেভাবে মানুষ গুগল করতে পারে, সেভাবে সার্চ করে একই পদ্ধতি এপ্লাই করেন।মনে রাখবেন সব ধরনের  প্রডাক্ট/সার্ভিস সব দেশে চলে না।

৩। আপনার বিশেষত্ত কি সেটা খুজে বের করেন। অন্যদের থেকে একটু ভিন্ন হতে হবে।

 

৪।প্রডাক্ট কেনার আগেই মার্কেটিং করুনঃ  যত কম টাকায় বিজনেস শুরু করা যায় ততো ভালো। এতে আপনার বিজনেস ফেইল করলেও খুব বেশি ক্ষতি হবে না। বাংলাদেশের প্রক্ষাপটে আপনি একটা ফেইসবুক পেজ করে সেখানে প্রডাক্ট সেল দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।বিজনেস শুরু করার জন্য প্রডাক্ট কেনার দরকার নাই। অর্ডার পাওয়ার পর প্রডাক্ট কিনে ডেলিভারি দিয়ে দেন। এতে কোনো পুজি ছারাই আপনি বিজনেস শুরু করতে পারলেন।

৫।শুরু করতে দেরি করবেন নাঃ  যত তাড়াতাড়ি পারেন বিজেনেস লন্স করেন। শুরু না করলে বুঝবেন না কি করতে হবে আর যা করছেন তা ঠিক নাকি ভুল। শুরু করার আগে যতই প্লান করেন না আসল ঘটনা বুঝবেন না।

 

১৪০ অক্ষরের মিসন স্টেট্মেন্ট

 

আপনি কি জানেন টুইটারে কেনো ১৪০ ক্যারেক্টারের বেশী লেখা যায় না। কম কথায় কাজ হলে বেশী কথার দরকার কি?  একটা বিষয় ব্যাখ্যা করার জন্য ১৪০ ক্যারেক্টারকে যথেষ্ঠ মনে করা হয়। আর আপনার বিজনেস মিসন এভাবে লিখে ফেলুন ১৪০ ক্যারেক্টারের মধ্যে।বেশী হলে কেউ জেল, জরিমানা করবে না 🙂

 

We help [customers] do/achieve/other verb [primary benefit]

 

এবার নিচের ছবিটি দেখে নিজের এক পেজ বিজনেস প্লান বানিয়ে ফেলুন। ছবিতে ক্লিক করুন।

Share this post

Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on print
Share on email

Related Post

Copyright 2019 © All rights Reserved.