How to Start an E-commerce business step by step

শুরুটা কিভাবে করবেন এ নিয়ে নতুনদের মাঝে চিন্তার শেষ নেই। আসুন জেনে নেই শুরুতে কোনটার পরে কোনটা করবেন।

প্রথম কাজ আপনার বিজনেস এর নাম ঠিক করা এবং সেই নামের সাথে মিল রেখে ডোমেইন কেনা। নামের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখবেন, নামটা যেনো সহজ হয়। আপনি যেই ক্যাটাগরির প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করবেন সেটা সাথে মিল রেখে রাখতে পারলে সব থেকে ভালো। যেমনঃ চালডাল.কম গ্রোসারি আইটেম নিয়ে কাজ করে। ক্যাটাগরির সাথে নামের সুন্দর মিল আছে। আবার সাজগোজ.কম কাজ করে বিউটি প্রোডাক্ট নিয়ে। যদি এমনটা হয় আপনি মাল্টিপল ক্যাটাগরি নিয়ে কাজ করবেন তাহলে একটা জেনেরিক নাম রাখুন। তবে মনে রাখবেন, নামটা যত ছোট হয় তত ভালো, নাম উচ্চারনে সহজ, সহজে মনে রাখা যায়, অন্য কোন ব্রান্ডের নামে সাথে যেনো মিলে না যায়, এসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে।

ডোমেইন কেনার ক্ষেত্রে আপনি যদি ডট কম ডোমেইন না পান তাহলে বিটিসিএল থেকে ডট কম ডট বিডি ডোমেইন কিনতে পারেন।

লিগাল ডকুমেন্ট হিসাবে ট্রেড লাইসেন্স ও টিন নম্বর করে নিতে হবে।

নাম ঠিক করা ও ডোমেইন কেনার পর্ব শেষ হলে এবার আপনার কাজ একটা ফেসবুক বিজনেস পেইজ তৈরী করা। সেখানে যাবতীয় তথ্য দিয়ে পেইজটি সাজিয়ে ফেলুন। ফেসবুক শপ কনফিগার করে সেখানে আপনার পন্যগুলো আপলোড করবেন।

এবার আসি ওয়েবসাইট এর বিষয়ে। এখনো অনেকে বলে ওয়েবসাইট থেকে কাস্টমার অর্ডার করতে জানে না, অর্ডার হয়না। আপনি যদি এখনো সেই চিন্তা নিয়ে পরে থাকেন তাহলে আপনি অনেক পিছিয়ে আছেন। তবে প্রথমেই অনেক ফিচার নিয়ে ওয়েবসাইট না বানিয়ে বেসিক বিষয়গুলো নিয়ে ওয়েবসাইট তৈরী করে ফেলুন। এডভান্স ফিচারগুলো ব্যবসা বাড়ার সাথে সাথে যোগ করাটা বেটার। ওয়েবসাইট থাকলে আপনি যেমন মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে সুবিধা পাবেন এর সাথে কাস্টমারের ট্রাস্ট অর্জন করতে পারবেন।

একটা প্রশ্ন প্রায়ই পাই, প্রথমেই টিম মেম্বার হায়ার করবো কি? যদি হায়ার করি তাহলে কোন কোন সেক্টরের জন্য হায়ার করবো। আমার পরামর্শ আপনি অল্প অল্প করে টিম বাড়ান। হয়তো প্রথমে প্রোডাক্ট সোর্সিং এর জন্য একজন ও কাস্টমার কেয়ারে একজন হায়ার করলেন। তারপর প্রয়োজন অনুসারে টিম বাড়াবেন। টিমে এমন মানুষজন হায়ার করবেন যারা ইকমার্স মোটামুটি বোঝে বা এই সেক্টরে প্যাশন আছে।
ইকমার্স না জানলেও সমস্যা নাই। তবে এমন মানুষ পাওয়া গেলে এডভানটেজ পাবেন।

অনেকে প্রথমেই একটা টেক টিম হায়ার করে। আপনার যদি অল্প পুজি থাকে তাহলে এটা একটা ভুল। আপনি ৫০ হাজার টাকায় একটা কমপ্লিট সলুসন পেয়ে যাবেন (বেসিক)। সেখানে আপনি যদি ২ জন হায়ার করেন তাদেরকে ২৫ হাজার করে স্যালারি দেন, আর তারা যদি ওয়েবসাইট বানাতে ৪ মাস সময় নেয় তাহলে আপনার টোটাল খরচ ২ লাখ টাকা। তাই ওয়েবসাইটের কাজটা ভালো কোন কম্পানিকে দিয়ে করান। যখন ব্যবসা ভালো চলবে তখন টিম হায়ার করে প্রয়োজনমত কাজ করালেন।

এখন আপনার ফেসবুক পেইজ আছে, ওয়েবসাইট আছে, টিমে ২ বা ৩ জন মানুষ আছে আপনাকে বিভিন্ন কাজে হেল্প করার জন্য। এখন প্রয়োজন সেল, তাইতো?

সেল এর জন্য মার্কেটিং এর কোন বিকল্প নেই। প্রশ্ন হলো, মার্কেটিং এ কত টাকা খরচ করবেন? এটার নির্দিষ্ট কোন লিমিট বেধে দেওয়া সম্ভব না। আপনি যত বেশী খরচ করবেন তত ভালো রেজাল্ট পাবেন। তবে মনে রাখতে হবে, প্রথম দিন থেকেই শুরু সেল করার জন্য এড রান করবেন না। মার্কেটিং এ কিছু সময় দিন আপনার ব্রান্ডকে চেনার জন্য। তারপর সেল নিয়ে ভাবুন।

মার্কেটিং হলো, কিছু অর্ডার আপনি পেলেন। এবার ডেলিভারি করার পালা। কোন কুরিয়ার ভালো হবে? আমাদের দেশে পজিটিভ রিভিউ কেউ দেয়না, আমরা নেগেটিভটাই বলি বেশিরভাগ। তাই খেয়াল করুন কোন কুরিয়ার এর নেগেটিভ রিভিউ কম আছে। তবে একেবারেই নতুন কোন কুরিয়ারের মাধ্যমে ডেলিভারি করাবেন না। কম্পানির বয়স, সাইজ, রেপুটেসন এসব দেখে সার্ভিস নিন। পাঠাও, ইকুরিয়ার, স্ট্রিটফাস্ট এরা ভালো সার্ভিস দেয়। তবে সবার এক্সপিরিয়েন্স ভালো না সেটা জেনে রাখুন

 

Share this post

Share on facebook
Share on google
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on print
Share on email

Related Post

Copyright 2019 © All rights Reserved.